জানুন কি কারণে কেবল সাত রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন মোদী

0

নয়াদিল্লি: সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে চতুর্থ দফার আনলক পর্ব। দীর্ঘ তিন মাস ভারত লকডাউন থাকার পর আবার স্বাভাবিক ছন্দে ধীরে ধীরে ফেরার চেষ্টা করছে দেশবাসী। কিন্তু ভারতে করোনা সংক্রমণ যে বলছে অন্য কথা। দিন দিন বেড়েই চলছে আক্রান্তের সংখ্যা। বিশ্বে সংক্রমণের নিরিখে ভারত দ্বিতীয় স্থানে। এটাই মোদী সরকারের অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তাই আজ অর্থাৎ বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাতটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনার কথা রয়েছে। ২৫ শে মার্চ দেশব্যাপী লকডাউনের পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মুখ্যমন্ত্রীদের সাথে বেশ কয়েকটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেছেন আলোচনা করেছেন কোভিড -১৯ পরিস্থিতি নিয়ে। তবে সম্প্রতি সাত রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি বেজায় জটিল। তাই আবারও সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করার কথা।

মহারাষ্ট্র, অন্ধ্র প্রদেশ, কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, দিল্লি এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীরা বৈঠকে যোগ দেবেন। কারণে এই সমস্ত রাজ্যে করোনাকে কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছে না সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। এই সাতটি রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দেশের মধ্যে প্রায় ৬৩ শতাংশ। দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব এবং দিল্লিতে মৃত্যুর হার কমপক্ষে ২ শতাংশ রিপোর্ট করছে। এই রাজ্যগুলি আক্রান্তের নিরিখে অন্যান্য রাজ্যের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। কেন্দ্র এই রাজ্য সরকারগুলিকে নিয়ন্ত্রণ, নজরদারি, পরীক্ষা এবং দক্ষ ক্লিনিকাল পরিচালনায় সহায়তা করার জন্য দল পাঠাচ্ছে। সম্প্রতি, একটি দলকে জম্মু-কাশ্মীরে পাঠানো হয়েছিল। কেন্দ্র ও দিল্লি সরকারের যৌথ দল দিল্লির কোভিড -১৯ পরিস্থিতির তদারকি করছে। এই সাতটি রাজ্যের এই সময়ে কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা প্রয়োজন কিনা তা মূল্যায়ন করা হবে আজকের বৈঠকে।

মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫.৫ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলেছে যে দেশের সক্রিয় মামলাগুলি মোট তালিকার পাঁচ ভাগেরও কম। সংক্রমণের নিরিখে ভারত বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তবে একটাই ভালো খবর যে দেশে সুস্থতার হার অনেক বেশী। এবং সুস্থতার হারের নিরিখে আমেরিকাকেও পিছনে ফেলেছে ভারত।