বিজেপির নবান্ন অভিযানে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, চলছে লাঠি চার্জ, এক কর্মীর কাছ থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র

0

হাওড়া: বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকেই দেখা দিয়েছে রণক্ষেত্র। বিজেপির যুব মোর্চার নবান্ন অভিযান কর্মসূচি মূলত শিল্প, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা সহ মণীশ শুক্লা খুনের ন্যায্য বিচার পাওয়া নিয়ে। মিছিল শুরু থেকেই জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিজেপির অভিযোগ একাধিক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন পুলিশের লাঠির আঘাতে। জ্যোর্তিময় সিং মাহাতো আহত হয়েছেন সাঁতরাগাছিতে।

দিলীপ ঘোষ এই নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে কটাক্ষ করে বলেছেন, “বিজেপিকে আটকাতে লকডাউন। বিজেপির ভয়ে কলকাতাকে গোটা দেশের থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়” পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ বলেছেন, “পুলিশ উর্দি ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ভৃত্যের কাজ করুক। সেটাই ভাল হবে।” সায়ন্তনু বসু সাঁতরাগাছির মিছিল থেকে বলেন “পুলিশ ভদ্র আচরণ করলে আমরাও করব”। “সন্ত্রাসবাদীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। অথচ বিরোধীদের রুখতে পুলিশ সকাল থেকে তৎপর”, কটাক্ষ রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মুকুল রায় এই প্রসঙ্গে মিছিল শুরুর পর বলেন, “বিজেপির গাড়ি বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ আটকাচ্ছে। প্রশাসন নির্ভর হয়ে পড়েছে এই সরকার। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে যোগ দিতে বিজেপি কর্মীরা যাচ্ছে। আমরাও যাচ্ছি। যেখানে আটকাবে আটকে যাব।”

বলতে গেলে বিজেপির নবান্ন অভিযান নিয়ে উত্তাল হয়ে রয়েছে বাংলার রাজনীতি। লকেট চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ফাটানোয় একাধিক বিজেপি কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি কর্মীদের উপর খিদিরপুরে পাথর ছোঁড়া হচ্ছে। বিজেপি কর্মীদের নবান্ন যেতে না দেওয়ার জন্য আগে থেকেই দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের কলকাতা অভিমুখী রাস্তায় পরিকল্পিতভাবে যানজট তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিং নেতৃত্ব দিচ্ছেন সমগ্র মিছিলের। সমগ্র শহর জুড়েই অশান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

সাঁতরাগাছিতে বিজেপির মিছিলে থাকা এক বিজেপির ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিলেন ওই ব্যক্তি। পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। তাকে জেরা করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here