নিট পরীক্ষায় বাংলার মুখ উজ্জ্বল করল সায়ন আলি, গর্বিত পরিবার

0

রায়গঞ্জ: রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মুখ হিসাবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মুখ উজ্জ্বল করল দেগঙ্গা প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষকের ছেলে সায়ন আলি। অল ইন্ডিয়া মেডিকেল জয়েন্টে (NEET) পরীক্ষায় ৭২০ মধ্যে ৬৭৫ নম্বর পেয়ে গোটা ভারতের মধ্যে ৯৯৫ স্থান দখল করায় পরিবারের পাশাপাশি বেড়াচাঁপা দেউলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সায়ন আলির অভূতপূর্ব ফলাফলে খুশি বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকারা। বারাসত গান্ধী স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিকের ফাস্ট বয় সায়নের এই ফলাফলে উচ্ছ্বসিত বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সায়নের বাবা দেগঙ্গার মির্জানগর কুঁচেমোড়া এফ পি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রফিক।

গৃহিনী মা হাফিজা বিবি জানায়, ২০১৮ সালে বেড়াচাঁপা উচ্চ বিদ্যালয়ের থেকে মাধ্যমিক দিয়ে ৭০০ মধ্যে ৬৭৯ নম্বর (৯৭%) পেয়ে রাজ্যের মধ্যে ১১ তম স্থান দখল করেছিল সায়ন। এরপর বিঞ্জান বিভাগে পড়াশুনা করতে চাওয়ায় বারাসত গান্ধী স্কুলে ভর্তি করা হয় তাঁকে। এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে ৫০০ মধ্যে ৪৮১ (৯৬%) নম্বর পেয়ে ফের নজির গড়ার পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া মেডিকেল জয়েন্টে (NEET) পরীক্ষায় অভূতপূর্ব ফলাফলে খুশি পরিবার। রাজ্যের শিক্ষাপ্রেমি মুখ্যমন্ত্রী কয়েকদিন আগে রাজ্যের কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উপহার সামগ্রী তুলে দিয়েছিলেন।

দেগঙ্গার ৩৬ নং জেলা পরিষদ কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত বর্তমান জেলার বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তথা বিশিষ্ট শিক্ষক নেতা মাননীয় জনাব এ কে এম ফারহাদ সাহেব, সায়ন আলী মোল্লার বাড়িতে হাজির হয়ে তার হাতে ফুল মিষ্টি বই সহ একগুচ্ছ উপহার সামগ্রী তুলে দেয়। তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ সৈনিক হিসাবে শিক্ষা প্রেমী মানুষ ফারহাদ সাহেব বলেন, “আমাদের জননেত্রী সব সময় সকলের জন্য ভালো কাজের প্রশংসা করেন। আমরা অভিভূত আমাদের একজন কৃতি ছাত্র আমাদের পাশে দেশের মধ্যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য। আমরা তার সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি এবং ভবিষ্যৎ জীবনে সায়ন যেন প্রকৃত মানুষ হয়ে দেশ সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে।”

কৃতি ছাত্র সায়ন আলী বলে, “নিজে চেষ্টা করেছি এবং সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা আমার অভিভাবক অভিভাবিকা সকলের সহযোগিতায় আজ আমি সাফল্যে পৌঁছাতে পেরেছি তবে আগামী দিনে মানুষের সেবায় যাতে নিয়োজিত করতে পারি তার জন্য সকলের কাছে আশীর্বাদ প্রার্থী। ফারহাদ সাহেব আমার বাড়িতে এসে উপহার সামগ্রী তুলে দিয়ে গেছে তাতে আমি অভিভূত আমার এবং আমার পরিবারের তরফ থেকে তাঁকে অনেক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি।”