বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আসতেই রাজনৈতিক হিংসা, বোমাবাজি ও গুলি ছোড়ার অভিযোগ

0

কৌশিক সালুই, বীরভূম: বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আসতেই রাজনৈতিক হিংসা শুরু বীরভূমে। মার গ্রামে বিজেপির সংখ্যালঘু সেল এর সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা অন্যদিকে নানুরে বিজেপির ব্যানার লাগানোকে কেন্দ্র করে বোমাবাজি ও গুলি ছোড়ার অভিযোগ। এক্ষেত্রে দুটি ঘটনার দায় চাপিয়েছে বিজেপি শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের উপর।

যদিও তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বীরভূম জেলা বিজেপির সংখ্যালঘু সালের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিমের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এবার তিনি বাজার করতে বেরিয়েছিলেন। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মী সমর্থক রেজাউল বাবুকে ব্যাপক মারধর ও হেনস্থা করেন। দিন কয়েক আগে তার নেতৃত্বে বিভিন্ন দল থেকে কয়েকশো কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বিজেপির বাড়বাড়ন্ত দেখেই শাসক দলের পরিকল্পিত হামলা বলে বিজেপির অভিযোগ।

অন্যদিকে শনিবার রাতে নানুরের বঙ্গছত্র গ্রামে বিজেপির ব্যানার লাগানোকে কেন্দ্র করে বোমা-গুলিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি সিউড়িতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কর্মসূচির জন্য তারা সেখানে ব্যানার লাগাচ্ছিলেন। সেই আক্রোশের তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বেশ কয়েকটি বোমা ফাটায় ও কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। বিজেপি কর্মীরা ঘটনাস্থলে থেকে ছুটে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে।

নানুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য জানান, “ওই গ্রামে এ ধরনের বোমাবাজি বা গোলাগুলির কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিজেপি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ করছে।” বীরভূম জেলা বিজেপির সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল বলেন, “যত নির্বাচনের দিন কাছে আসছে ততই তৃণমূল কংগ্রেস তাদের পায়ের তলায় মাটি হারাচ্ছে। জনমানসে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিরোধীদের ওপর হামলা শুরু করেছে তারা। তাদেরকে আমরা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভাবে মোকাবিলা করবো।”