বাড়ছে ফাটল! পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদ থেকে অপসারিত শিশির অধিকারী

0

কলকাতা: ক্রমশ ফাটল চওড়া হচ্ছে শাসক দল ও অধিকারী পরিবারের। দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদের পর এবার পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদ থেকেও সরানো হল শিশির অধিকারীকে। সেই জায়গায় দায়িত্বে আনা হলো সৌমেন মহাপাত্রকে। যার ফলে রাজ্য শাসক দলে আরোও কোণঠাসা হলো অধিকারী পরিবার। ইতিমধ্যেই শিশিরপুত্র শুভেন্দু অধিকারী ও সৌমেন্দু অধিকারী গেরুয়া শিবিরে নাম লিখেছে। এই মুহূর্তে তাঁরা রাজ্যে বিজেপির সক্রিয় সদস্য। কিন্তু শিশির অধিকারীকে পদ থেকে সরানোর পর এবার তাঁকে নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।

প্রসঙ্গত মঙ্গলবারই শিশির অধিকারীকে দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছিল। আর বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদ থেকেও সরানো হল। যদিও নতুন কমিটিতে চেয়ারম্যান পদে রাখা হয়েছে শিশিরবাবুকে। আদতে অধিকারীদের ক্ষমতা খর্ব করতেই রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত বলেই মনে করা হচ্ছে। এর আগে অধিকারী পরিবারের ছোট ছেলে সৌমেন্দুকে কাঁথি পুরসভার প্রশাসকের পদ থেকে সরানো হয়েছিল। ঠিক তার পরই শুভেন্দুর হাত গেরুয়া শিবিরে চলে যান সৌমেন্দু।

দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ডিসেম্বরে অমিত শাহের সভা থেকেই ঘাসফুল শিবির ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা হয়েছিল। প্রথমে পরে মন্ত্রিত ও পরে একে একে বিধায়ক-সহ যাবতীয় পদ ও তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদও ত্যাগ করেন শুভেন্দু। তারপর তুলে নেন গেরুয়া পতাকা। সেখান থেকেই অধিকারী পরিবার ও শাসক দলের সম্পর্কের তিক্ততা বারে। যদিও শুভেন্দুর বিজেপি যোগদানের সময় সময় পরিবারের বাকি তিন সদস্য অর্থাৎ শিশির অধিকারী, দিব্যেন্দু অধিকারী ও সৌমেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন তাঁরা দিদির সঙ্গেই রয়েছেন। কিন্তু কখনই তৃণমূলের হয়ে সক্রিয় হতে দেখা যায়নি। শেষ পর্যন্ত সৌমেন্দু তৃণমূলের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে। বাকি রইল দুজন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here