“যারা যারা লাইন দিয়ে আছো, তাড়াতাড়ি চলে যাও” বেসুরোদের কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

0

হুগলি: ভোট দরজায় কড়া নাড়ছে। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট বাজলো বলে। এদিক দলবদলের হওয়া লেগেছে বাংলার রাজনৈতিক নেতাদের। সুযোগ বুঝে তল্পিতল্পা গোটাচ্ছে তারা। ইতিমধ্যেই বেশকিছু নেতা ঘাসফুল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছে। লাইনে দাঁড়িয়ে অনেক ‘বেসুরো’ ও ‘দেশত্যাগী’। এবার তাদের উদ্দেশ্যেই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সাফ বক্তব্য, যারা যেতে চায় তারা এখুনি চলে যেতে পারে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত হুগলি জেলার সভামঞ্চ থেকে তৃণমূল নেত্রীর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, “যারা যারা লাইন দিয়ে আছ, তাড়াতাড়ি চলে যাও।” এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট যে বেসুরো হয়ে দলে দর বাড়ানো নেতাদের বিরুদ্ধে কতটা ক্ষুব্ধ।

পুরশুড়ার সভায় মুখ্যমন্ত্রী রীতিমতো বেসুরোদের উদ্দেশ্য ক্ষোভ উগড়ে দেন। তিনি বলেন, “যারা যারা যাচ্ছ, তাদের আর আমরা নেব না। কারণ, কাকে কাকে নিতে হয় আমরা জানি।” আরও বলেন, “আরও যারা যারা লাইন দিয়ে আছ, তাড়াতাড়ি চলে যাও, ট্রেন ছেড়ে দেবে। ইচোর-এঁচোড়রা সব পালিয়ে যাও। ওদের পায়ে গিয়ে পড়। বিজেপিতে গিয়ে চুরির টাকা রাখ। টাকা করেছ, তাই বিজেপির ঘরে রাখতে যাচ্ছ।”

দলনেত্রীর সাফ কথা, “বাংলা তোমাদের চায় না। তৃণমূল তোমাদের চায় না। তৃণমূলে টিকিট পাবে না বুঝেই দলবদল করেছ। কেন তোমাদের টিকিট দেবে? তোমরা তো মানুষের জন্য কাজ করনি! কেউ চলে গেলে যায় আসে না। আমরাই ছিলাম, আর আমরাই থাকব।” কয়েকদিন আগেই চন্দননগরের সার্কাস মাঠের সভা থেকে ‘হুগলি জেলায় তৃণমূল শূন্য পাবে’ বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুরশুড়ার সভা থেকে এদিন পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “হুগলির প্রতিটা সিট এবার তৃণমূল কংগ্রেসকে দিন। এই আবেদন আপনাদের কাছে করব।”