তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানকারী নেতাদের কটাক্ষ মমতার

0

কলকাতা: আসন্ন নির্বাচনের আগে বেসুরো তৃণমূল নেতাদের বিজেপিতে জদানের হিড়িক দেখে অনেকেই বলছেন শাসক দল বেশ কিছুটা চাপে রয়েছে। কারণ শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের সেই ফাটল বড্ড বেশী চওড়া হয়েছে। তবে এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যারা দলবদল করেছেন বা করছেন তা নিয়ে একেবারেই তিনি চিন্তিত নন বলেই স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন।

অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের রাজ্য সম্মেলনের অনুষ্ঠানে সমস্ত দলত্যাগী নেতানেত্রীদের উদ্দেশ্যে আক্রমণ সানিয়ে বলেন, “কয়েকটা চোর-ডাকাত অনেক টাকা করে ফেলেছে। তারা গোবর্ধনের কাছে টাকা জমা দিতে যাচ্ছে। চিন্তা করার কারণ নেই। ওগুলোকে আমি টিকিট দিতাম না।” সেই সঙ্গে বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেছেন, “নির্বাচনের সময় অনেক কথা বলা হয়। কিন্তু কার্যকরী হয় না। আমরা করে বলি। ওরা যা বলে করে না। টাকা দেবে ওরা। খেয়ে নিন। টাকা দিয়ে যেন ভোট করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন। এজেন্সি দিয়ে বেঁচে থাকুক বিজেপি। আমরা আপনাদের হৃদয়ে বাঁচব।”

করোনার সময় রেশন দুর্নীতি নিয়ে বিজেপি যে অভিযোগ করেছিল সেই অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কড়া সুরে বলেন, “কোভিডের সময় আমি নিজেও রেশন দোকানে ঘুরেছিলাম। ঠিকমতো চলেছে। একটা-দুটো রেশন দোকানে গন্ডগোল হয়েছে। তা নিয়ে অনেকে মিথ্যা কথা রটিয়ে দেয়। হামলাও করেছে। হিংসুটে লোকেরা কাজ নেই, কর্ম নেই কৈকেয়ী, মন্থরার মতো কুটুস-কুটুস করে। কী করে চিমটি কাটা যায়।” এক কথায় বলতে গেলে বাংলায় সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যবাসী দ্বিধা দ্বন্দ্বে ভুগলেও তিনি আত্মবিশ্বাসী আবারও তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় ফিরবে। সেই সঙ্গে তিনি রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন দল থেকে যারা চলে গিয়েছেন তাঁদের যাওয়াতে তৃণমূলের কিছু এসে যায়নি। বরং তাঁদের চলে যাওয়াতে তৃণমূলের ভালোই হয়ছে আর রাজ্যবাসী মানুষ চিনতে পেরেছে।