“কোটি টাকা খরচ করে বাজার থেকে কুমড়ো, পটল, ঢ্যাঁড়স, মুলো কেনা” ‘ওহ লাভলি’ গানের সুরে বিজেপিকে কটাক্ষ মদনের

0

কলকাতা: ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে কার পালে যে হাওয়া লাগবে সেটা বোঝা খুবই কঠিন হয়ে উঠেছে। যত দিন যাচ্ছে ততই জটিল হচ্ছে বঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার দীনেশ ত্রিবেদীর দল ছাড়া তৃণমূলের কাছে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতোই ছিল। মুকুল-শুভেন্দু-রাজীব সহ অনান্য তৃণমূল নেতারা দল ছাড়ছে এই খবর শাসক দলের কাছে থাকলেও দীনেশ ত্রিবেদীর দল ছাড়ার কথা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেনি তৃণমূল। এই সমস্ত কিছু নিয়েই অর্জুন সিংয়ের এলাকায় দাঁড়িয়ে বিজেপিকে কটাক্ষ করে তৃণমূলের নেতা মদন মিত্র বলেছেন ‘বিজেপির চরিত্র টাকা খরচ করে বাজার থেকে কুমড়ো, পটল, ঢ্যাঁড়স, মুলো কেনা।”

‘ওহ লাভলি’ গানের সুরে গানের ভিডিও প্রকাশ করে গেরুয়া গেরুয়া বাহিনীকে কটাক্ষ করে বলেছেন, “বিজেপির চরিত্র টাকা খরচ করে বাজার থেকে কুমড়ো, পটল, ঢ্যাঁড়স, মুলো কেনা। মানুষ যখন চাল চাইছে, তাঁরা দিচ্ছে চাল কুমড়ো। দু’কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়ার কথা। ১৫ লাখ টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি কোথায়! মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ট্যাব কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা করে দিয়ে দিয়েছেন। স্কুলে কম্পিউটার পৌঁছে দিয়েছেন। এদিকে বিজেপি কোটি টাকা দিয়ে শুধুই রাজনৈতিক কুমড়ো কিনছে।” একই সঙ্গে অর্জুন সিংয়ের গড় ভাটপাড়ায় দাঁড়িয়ে বরতমানের জনপ্রিয় এই নেতা হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন, “দুধ মাঙ্গো তো ক্ষীর দেঙ্গে, ভাটপাড়া মাঙ্গোকে তো চিড় দেঙ্গে।”

বলা বাহুল্য যে, মদন মিত্র আগেই বলেছেন যে তৃণমূলের ফেলে দেওয়া পচা আলু, লাউ, কুমড়ো গুলিকে বিজেপি লুফে নিচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা বলেছেন, “এই ঘ্যাঁট তৈরি হয়েছে বিজেপির জন্য। ভাটপাড়াকে ঘেঁটে চচ্চড়ি করে দিয়েছিল তারা। তাই আমার মতে, ঘ্যাঁট খাওয়ানোর আদর্শ জায়গা এটাই।” সেই সঙ্গে তৃণমূলের দলত্যাগী নেতাদের কটাক্ষ করে মদন মিত্র বলেছেন, “আমার গানে ফেঁসে গেল কালিরামের ঢোলের সুর রয়েছে। ভাটপাড়ার ছেলেরা অনুরোধ করেছিল, ওখানে ফেঁসে গেল অর্জুন সিং, মুকুল রায়,বিজেপির ঢোল। কিন্তু, ভদ্রতার খাতিরেই আমি তা করিনি।” বলেতে গেলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ‘ক্ষমতা দখল’ ও ক্ষমতা নিজের হাতে রাখার লড়াই জোরদার হয়ে উঠেছে। বঙ্গে যতটা না রাজনৈতিক দলের মধ্যে লড়াই হচ্ছে তার থেকে বেশী হচ্ছে একে অপরের দিকে কাদা ছোড়াছুঁড়ির লড়াই। নির্বাচনে জিতে কার হাতে বাংলার শাসন ভার যায় সেই দিকেই অধীর আগ্রহে তাকিয়ে বঙ্গবাসী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here