ভূমিপুত্র হিসেবে দেগঙ্গায় প্রার্থী হতে পারেন মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, আব্বাস সিদ্দিকীর দলে যোগ দিচ্ছেন নুরুজ্জামান আরাবুল সহ একাধিক নেতা

0

উত্তর ২৪ পরগণা: একুশের নির্বাচনে রাজনীতির ময়দানে নামতে পারেন মুহাম্মদ কামরুজ্জামান। ফুরফুরা দরবার শরীফের পীর মহলে পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী ও আইএসএফ দলের চেয়ারম্যান পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকীর সাথে এক গোপন বৈঠকে মিলিত হতে পারেন। সেই বৈঠকের পরই সম্ভবত আব্বাস সিদ্দিকীর হাত থেকে আইএসএফ- এর দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে রাজনীতির ময়দানে নামতে পারেন মুহাম্মদ কামরুজ্জামান।

সূত্রের খবর, উত্তর ২৪ পরগণার দেগঙ্গার ভূমিপুত্র হিসাবে দেগঙ্গা থেকেই বাম কংগ্রেস সমর্থিত ও আইএসএফ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে একুশের নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে নামতে পারেন কামরুজ্জামান। সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন সূত্রে খবর, কিছুদিন আগেই অনুষ্ঠিত হয় যুব ফেডারেশনের কোর কমিটির বৈঠক। দিনের পর দিন তৃণমূল মুসলিম সম্প্রদায়কে ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করে চলেছে। আর একের পর এক নির্বাচনে যোগ্য মুসলিম প্রার্থীদের ডানা ছেঁটে দেওয়া হচ্ছে। আর কয়েকজন অর্ধশিক্ষিত নেতাদের রেখে দিয়ে তৃণমূল মুসলিম প্রীতির কথা বলছে। শুধু তাই নয়, অন্যান্য নেতারা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাচ্ছে তাতে কোনো দোষ নেই, আর কোনও দাড়িওয়ালা রাজনীতিতে নামলে তিনি সাম্প্রদায়িক? এটি কোন যুক্তির ভিত্তিতে তৃণমূল পর্যালোচনা করছে। এই সমস্ত কথাই উঠে আসে কোর কমিটির বৈঠকে।

পাশাপাশি ওই বৈঠকে মুহাম্মদ কামরুজ্জামান ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, মুসলিম অধ্যুষিত বিধানসভায় কেন মুসলিম প্রার্থী করা হয়নি। যোগ্য মুসলিম প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও বহিরাগত প্রার্থী করা হয়েছে কোন যুক্তিতে? আসলে ৩৫ শতাংশ সংখ্যালঘু মুসলিমদের তৃণমূল ঠকাচ্ছে। তৃণমূল সরকার এখন মুসলিম সম্প্রদায়কে ভোট ব্যাঙ্ক ভাবতে শুরু করেছে। আর তাই নিজেদের অধিকার বুঝে নেওয়ার জন্য এবার রাজনীতির ময়দানে নামতে হতে পারে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করেই আব্বাস সিদ্দিকীর গঠিত আইএসএফ দলে নাম লেখাতে পারেন মুহাম্মদ কামরুজ্জামান। শুধু তাই নয়, এমনকি যারা তৃণমূলের টিকিট পায়নি সেই সব মুসলিম নেতারাও আইএসএফ- এ নাম লেখাতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। সেই তালিকায় থাকতে পারেন, তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক ডাঃ নুরুজ্জামান, কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওয়েজুল হক, ভাঙরের তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম, সিয়ামত আলী সহ একঝাঁক নেতা।