লালার কাছ থেকে কারা কিনত অবৈধ কয়লা? উত্তর খুঁজতে কলকাতা সহ ৫রাজ্য তল্লাশি সিবিআইয়ের

0

কলকাতা: কয়লা কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা কাকে কয়লা পাচার করত কে কিনত সেই বিপুল পরিমানের অবৈধ কয়লা। এবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল সেই ক্রেতাদের হদিশ পেতে রাজ্যে তল্লাশি শুরু করেছেন।আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতার শেক্সপিয়র সরণি এবং আসানসোল,দুর্গাপুর সহ রাজ্যের মোট পাঁচটি এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারীদর দল।

সিবিআই সূত্রে জানা গেছে, কলকাতার পাশাপাশি আসানসোল ,দুর্গাপুর, বরাকর-সহ মোট ৫টি এলাকায় চলছে তল্লাশি। মূলত সিবিআই দল খোঁজে নেমেছেন এক লৌহ ইস্পাত শিল্পগোষ্ঠীর মালিক অমিত আগরওয়াল ও সনু আগরওয়ালের। এই ব্যক্তি তারা ভাই এবং তারা কুলটির বরাকরের আদি বাসিন্দা। এই দুই ব্যাক্তির ঝাড়খণ্ড, দুর্গাপুর, কাঁকসা, বাঁকুড়ায় প্রায় ১৩-১৪টি কারখানা রয়েছে। সূত্রের মারফত খবর, সেই সকল লৌহ ইস্পাত কারখানার চালাতেই তারা লালার কাছে থেকে অবৈধ ওই কয়লা কিনত বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এদিন সকালে ৪টি গাড়িতে মোট ১০ জন তদন্তকারী আধিকারিকরা হাজির হন অমিত আগরওয়াল ও সনু আগরওয়ালেরর বরাকরের বাড়িতে। সেখানে এই দুজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাদের পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্ত আধিকারিকরা।

অপরদিকে কলকাতার শেক্সপিয়র সরণীতে তাদের অফিসেও চলছে তল্লাশি। তদন্তকারীদের ধারণা, লালার ব্যবসার খুঁটিনাটি জানা যাবে এই দুই শিল্পপতিদের কাছ থেকে। প্রসঙ্গত, অমিত ও সনুর এই দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে এর আগেও অভিযোগ উঠেছে একাধিক দুর্নীতির। প্রায় বছর দুয়েক আগে তাঁদের বাড়িতে হানা দিয়েছিল NIA-ও। দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে ঝাড়খণ্ডের মাওবাদিদের অর্থ সাহায্যের। অপরদিকে , এদিন তল্লাশি হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। কলকাতা থেকে বিদেশে বাঘ, বাঘের বাচ্চা-সহ একাধিক বন্যপ্রাণ পাচাকেক অভিযোগও রয়েছে। সেই মামলার তদন্তেই নেমে এই তল্লাশি অভিযানও চালাচ্ছেন তারা। সূত্রের মারফত খবর, এই সব বন্যপ্রাণ পাচারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে কয়েক কোটি টাকার লেনদেন । এই পাচারচক্রের হদিশ পেতেই উঠেপড়ে লেগেছে ইডি আধিকারিকরা।