খালি মাঠ! ভরল না হিন্দুত্বের পোষ্টার বয়ের সভা

0

জঙ্গলমহল: বাংলায় হিন্দুত্বের পোষ্টার বয় প্রচারে এসেছেন অথচ কর্মী সমর্থকদের সেই উত্তেজনা নেই। ভরল না মাঠ। যারফলে ভোটের মুখে ফের মুখ পড়ল রাজ্য বিজেপির। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে বিজেপির থেকে? প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার জঙ্গলমহলের বলরামপুরের মাঠে সভা করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য নাথ। এই একই মাঠে চব্বিশ ঘন্টা আগেই সভা করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যে সভায় তিল ধরানোর জায়গা ছিল না। সেই সভার পালটা বিজেপির সভা যেখানে আবার প্রধান বক্তা যোগী অথচ খালি মাঠের বেশিরভাগ অংশ।

বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছিল, কোণায় কোণায় ভিড়ে ঠাসা থাকবে ময়দান। কিন্তু ছোট মাঠই এদিন ভরাতে পারল না বিজেপি। সভা থেকে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই হিন্দুত্বের জয়গান গাইলেন। এদিনের সভা ছিল বলরামপুরে বানেশ্বর মাহাতোর সমর্থনে। এটা মমতার পালটা সভা বলে প্রচার করা হয়েছিল। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, বলরামপুরের বিজেপির সভা কার্যত ফ্লপ। সেই সভা থেকেই যোগীর দাবি, “২০১৯ সালে আমি পুরুলিয়া এসেছিলাম। সেই সময় আমার হেলিকপ্টার নামতে দেয়নি বাংলার সরকার। ঝাড়খন্ডে নেমে তারপর সড়ক পথে এসে আমি দেখেছি এখানকার মানুষের কত উৎসাহ তাই আমি এবার ঠিক করেছি নির্বাচনী প্রচার পুরুলিয়া থেকে শুরু করব।”

তবে তাঁর সভায় যে ভিড় হয়নি, তা মানতে রাজি নন যোগী। ফাঁকা সভা নিয়ে তাঁর সাফাই,”আমি হেলিকপ্টার থেকে দেখছিলাম এখানকার কার্যকর্তাদের সভায় আসতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদেরকে বাধা দিচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় আটকে দিচ্ছে পুলিশl আমার বিশ্বাস ছিল সেই বাধা ভেঙে সভায় ভিড় হবে। পরে সবাই ভিড় তা প্রমাণ করে দিয়েছে।” এরপরই সরাসরি তৃণমূল নেত্রীকে কটাক্ষ করেন যোগী আদিত্যনাথ। বলেন, “জয় শ্রীরাম বললে মমতাদি রেগে যাচ্ছেন। আর এখানে আমাকে জয় শ্রীরাম বলে অভিবাদন করছেন। তাই এখন মমতাদি মন্দিরে গিয়ে চন্ডীপাঠ করছেন। এটাই পরিবর্তন।” এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাহুল গান্ধীকেও খোঁচা দিতে ছাড়েননি যোগী। এদিনের সভা থেকে যথারীতি তৃণমূলকে তুলোধোনা করেন তিনি।