বাংলার উন্নয়নের সাথে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক ডাউন হয়ে যাওয়ার তুলনা মোদীর

0

খড়গপুরঃ ভোটের আগে উত্তপ্ত বাংলার রাজনীতি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গের আসন পাকা করতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। ভোটের প্রচারে বার বার কেন্দ্রীয় নেতাদের সমাগম ঘটছে এ রাজ্যে। আর তাই নির্বাচনের আগে আরও একবার বাংলার প্রচারে প্রধানমন্ত্রী। শনিবার খড়গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় ওরফে অভিনেতা হিরণের সমর্থনে খড়গপুর বিএনআর ময়দানে সভা করেন মোদী। গোটা প্রচার জুড়েই মমতা সরকারের ১০ বছরের জামানাকে নিশানা করেন মোদী।

তিনি বলেন, “বিকাশ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলায়। আর এখানে দিদি-ই উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে। বাংলার মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন দিদি। ” তিনি আরও বলেন, “বছরের পর বছর ধরে বাংলায় একাধিক দল ক্ষমতায় এলেও, রাজ্যের উন্নয়ন আজও আটকে রয়েছে বলে এদিন অভিযোগ করেন। গতকাল রাতের ঘটনা প্রসঙ্গে মোদীর বক্তব্য, ‘‘কাল রাতে ৫০-৫৫ মিনিটের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ডাউন হয়ে গিয়েছিল। মানুষ দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। কি হবে হবে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু ভাবুন তো বাংলায় তো ৫০-৫৫ ধরে উন্নতিই আটকে রয়েছে! প্রথমে কংগ্রেস, এরপর বাম আর এখন তৃণমূল বাংলার উন্নয়নের জন্যে কিছুই করেননি বলে তোপ দাগেন মোদী।”

পাশাপাশি এদিন মঞ্চ থেকে কাটমানি-তোলাবাজি সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। বলেন, বাংলার মানুষ আপনাকে ১০ বছর দিয়েছিল। কিন্তু দিদি ১০ বছরে আপনি মানুষকে কুশাসন দিয়েছেন। এখানে কেন্দুপাতা বিক্রি করতেও কাটমানি দিতে হয়। আদিবাসীদের কাটমানি দিতে হয়। দিদি ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য তোষণ করে চলেছেন বলে তোপ বিজেপি নেতার।” এছাড়াও খড়গপুরের সভা থেকে যুব তৃণমূল সভাপতির বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘একদিকে দেশ সিঙ্গল উইনডো সিস্টেমের দিকে এগিয়ে চলেছে। কিন্তু বাংলায় অন্যরকমের সিঙ্গল উইনডো চলছে। বাংলায় সিঙ্গল উইনডো হল ভাইপো উইনডো। এই উইনডো না পেরোলে বাংলায় কিছু হয় না।’