“যাঁরা তোলাবাজ ছিল, টাকা বাঁচাতে বিজেপিতে গিয়েছে”, নাম না করেই শুভেন্দুকে আক্রমণ মমতার

0

হলদিয়া: হাতে গোনা দিন কয়েক মাত্র। তারপরই শুরু একুশের মহাযুদ্ধ। গদি দখলের লড়াইয়ে মরিয়া হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক দলগুলি। এদিকে পায়ে চোট নিয়েই ব্যাক টু ব্যাক সভা করে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার হলদিয়া, খেজুরি সহ একগুচ্ছ সভা করেন তিনি। এদিন শুভেন্দুর গড় হলদিয়াতেও সভা করেন মমতা। আর সেখান থেকে কার্যত নাম না করেই শুভেন্দুকেও আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ‘মেদিনীপুরের কিছু গদ্দারকে পুষেছি। পাঁশকুড়া আনিসুরকে জেলে পাঠিয়েছে। যাকে পছন্দ হত না, তাকেই জেলে ভরত।’

পাশাপাশি বিজেপিকে সবথেকে বড় তোলাবাজ বলে দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘বিজেপির মতো বড় তোলাবাজ কোথাও নেই। যাঁরা তোলাবাজ ছিল, টাকা বাঁচাতে বিজেপিতে গেছে। আগে পূর্ব মেদিনীপুরে আসতে অনুমতি নিতে হত। মেদিনীপুরের কোথায় যাব সেই অনুমতি আগে থেকে নিতে হত বলে দাবি তৃণমূল নেত্রীর। এরপরেই শুভেন্দুর নাম না করে তিনি বলেন, ‘আপদ বিদায় হয়েছে, বেঁচে গেছি।’ হলদিয়ার সভায় তিনি বলেন, প্রার্থী দেখবেন না! ২৯৪ কেন্দ্রের প্রার্থী আমিই। আমাকে দেখে ভোট দেবেন। ওদের ভোট দিলে সরকারটা আমরাই তৈরি করতে পারব। এরপরেই আত্মবিশ্বাসী মমতার মুখে যুদ্ধের কথা। বলেন, ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে যুদ্ধ হবে, খেলা হবে। আগামী ২৭ মার্চ প্রথম গোলটা এমন করে মারবেন যাতে বিজেপি যেন মাঠের বাইরে চলে যায়।

হলদিয়াতে দাঁড়িয়ে মোদী সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মোদী সরকার সব কিছ বিক্রি করে দিচ্ছে। রেল বিক্রি করছে, এলআইসি বিক্রি করছে…আরও কিছু বিক্রি করে দিচ্ছে। মানুষ কোথায় যাবে? কি খাবে। মমতার আশঙ্কা, বাংলায় বিজেপি সরকার তৈরি হলে হলদিয়া বন্দরও বিক্রি করে দেবে। মোদী ভারতের অর্থনীতিকে শেষ করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁর কোথায়, বিজেপি একটা জঘন্য দল। খুন করে, দাঙ্গা করে, ধর্ষণ করে। এমনকি বিজেপি-তে মেয়েরা সুরক্ষিত নয়। তাই মানুষের কাছে মমতার পরামর্শ, বাংলায় বিজেপি-কে ঢুকতে দেওয়া হবে না। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সবকিছু শেষ করে দেবে, আশঙ্কা নেত্রীর।