ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জেরবার বিজেপি নেতৃত্ব, ধর্ষণের অভিযোগ জেলা সভাপতির ভাইপোর বিরুদ্ধে

0

কাঁকসা: ফের একবার প্রকাশ্যে এলো বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। কাঁকসায় বিজেপি নেতার নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় এবার কাঁকসায় ধর্নায় বসলেন চার নম্বর মণ্ডলের বিজেপি কর্মীরা। পশ্চিম বর্ধমান জেলার বিজেপি জেলা সভাপতি লক্ষ্মণ ঘোড়ুইকে একুশের ভোটে দুর্গাপুর পশ্চিমে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। প্রার্থীর ভাইপো সহদেব ঘোড়ুইয়ের বিরুদ্ধে রয়েছে ধর্ষণের অভিযোগ।

অভিযোগ, কাঁকসার আমলাজোড়া পঞ্চায়েতের বাবনেবেড়া গ্রামের বাসিন্দা সহদেব ঘোড়ুই বছরখানেক আগে স্থানীয় এক বিজেপি নেতার নাবালিকা মেয়েকে মাদক দ্রব্য খাইয়ে বেহুঁশ করে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সমগ্র ঘটনার কাঁকসা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন বিজেপি নেতা তথা নাবালিকার বাবা। অভিযোগ দায়ের পর থেকেই পলাতক লক্ষ্মণ ঘোড়ুইয়ের ভাইপো।অভিযোগ জানানোর পরেও এখনো পর্যন্ত দোষী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে না পারায়, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এবার ধর্নায় বসলেন বিজেপির কর্মী ও সদস্যরা। এদিন ধরনায় বসে নির্যাতিতার বাবা ও বিজেপি নেতা কালুরাজ ঘোষ, কিরণ হালদার সহ অন্যান্য কর্মীরা। বিজেপি নিচুতলার এই কর্মীদের মধ্যে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ ক্রমশ বেড়ে চলেছে।

প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার আবেদন জানিয়ে দলের তরফে ব্যানার পড়ল। ব্যানারে লেখা, ” ধর্ষকের কাকাকে একটি ভোটও নয়। চরিত্রহীন প্রার্থী মানছি না, মানবো না।” আর তার নিচেই লেখা, ” সৌজন্যে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি যুক্ত আদি বিজেপি কর্মীবৃন্দ।” দলীয় সূত্রে খবর, এই নিয়ে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভ রয়েছে । যদিও বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মণ ঘোড়ুই দাবি করেছেন, এটা তৃণমূলের কাজ। তাঁর কথায়, “প্রতিটি কর্মী রাস্তায় নেমেছে। কারো কোন ক্ষোভ নেই। আমাকে কালিমালিপ্ত করতে তৃণমূল এই সব নোংরা রাজনীতি করছে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here