সম্মান দেখান কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতি’, নাম না করে শীতলকুচি কাণ্ডে মমতাকে নিশানা ধনখড়ের

0

শীতলকুচিঃ গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই। সকলকেই ঐক্যবদ্ধভাবে হিংসার নিন্দা করতে হবে। এদিন টুইট করে কোচবিহারের শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে এমনটাই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। পাশাপাশি তিনি নাম না করে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
মন্তব্যকেও নিশানা করেছেন।

কোচবিহারে আধাসেনার গুলিতে ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনাকে হৃদয় বিদাকর এবং দুঃখজনক বলে বর্ণনা করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রবিবার দুপুরে এনিয়ে টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় লেখেন, “সকলের হিংসার নিন্দা করা উচিত। অশান্তি বন্ধ করতে সকলেরই উদ্যোগী হওয়া দরকার। গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই।” তিনি আরও লেখেন, “কোচবিহারের হিংসার জেরে প্রাণহানি হল। এই ঘটনা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক ও দুঃখজনক।” আধাসেনাকে সম্মান জানানোর আবেদন জানিয়ে ধনকড় লেখেন, “শাসকের নিজেদের রাজধর্ম পালন করা উচিৎ। সরকারি কাজে নিযুক্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও আধাসেনার প্রতি সম্মান দেখানো উচিৎ।” ওয়াকিহাল মহল বলছে, রাজ্যপাল আদপে টুইটে নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকেই বিঁধলেন।

এদিন সকালেই শিলিগুড়ির সাংবাদিক সম্মেলন নাম না করে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিশানা করেন মমতা। মমতা বলেন, বুক লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বাহিনী। এটা পুরোপুরি গণহত্যা। ওরা মিষ্টি মুখে খুন করেছে। গুলিকাণ্ডের পর তথ্য চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তথ্য লুকোতেই ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

অমিত শাহ বলেন, শীতলকুচিতে চারজনের মৃত্যুতে মমতাদি এত শোকপ্রকাশ করছেন। কিন্তু ওই দিন যে আনন্দ বর্মন নামে এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন, সে কথা তো উনি ভুলেই গিয়েছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেননি উনি। মৃত্যু নিয়েও উনি তোষণের রাজনীতি করছেন। মৃত্যুর চেয়েও এটা আরও বেশি দুঃখজনক।