অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করলেন শীতলকুচিতে মৃত আনন্দ বর্মনের দাদু

0

কোচবিহার: কোচবিহারের শীতলকুচিতে ১০ এপ্রিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারালেন প্রথমবারের ভোট দাতা ১৮ বছরের আনন্দ বর্মণের। এর পরেই সেখানে চূড়ান্ত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও জনসাধারণের মধ্যে খন্ড যুদ্ধ শুরু হয় পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালায় এবং আরও ৪জন ভোটার এর মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরকে দোষারোপ করতে থাকে কার্যত রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে। মর্মান্তিক এই ঘটনার পরদিনই নিহতদের পরিবারের সাথে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তবে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় কোনো রাজনৈতিক নেতৃত্ব পারবেন না শীতলকুচিতে যেতে।ফলে মুখ্যমন্ত্রী শিলিগুড়ি থেকে ফোনেই কথা বলেন নিহতদের পরিবারের লোকদের সাথে।আজ মুখ্যমন্ত্রী মাথা ভাঙায় গিয়ে মৃতদের পরিবারের সাথে দেখা করেন।মুখ্যমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে রাজি ছিলেন না মৃত আনন্দ বর্মণের বাবা। তাঁদের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই তাদের ছেলে কে খুন করেছে। আনন্দ বর্মণের বাবা জগদীশ বর্মন বলেন ‘যে সরকার আমার ছেলে কে কেড়ে নিলো সেই সরকারের কাছ থেকে আমার টাকার কোনো প্রয়োজন নেই।বরং যারা এই কাজ করেছে তাদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি”।

আনন্দ বর্মন ও তার পরিবার বিজেপি সমর্থক হিসেবে এলাকায় পরিচিত সেই তাঁর ছেলেকে হত্যা করা হলো বলেই অভিযোগ আনন্দের বাবার। তিনি বলেন ভোটের কয়েকদিন আগে তৃণমূল কর্মীরা তাঁর বাড়িতে এসে হুমকি দেয় তাই এই হত্যার ঘটনা তৃণমূল কর্মীরাই ঘটিয়েছে এরপর এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথাভাঙায় হাসপাতালের পাশের মাঠে নিহতদের পরিবারের সাথে দেখা করেন সেখানেই নিহত আনন্দ বর্মণের দাদু দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রীর সাথে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here