পঞ্চম দফার নির্বাচনে আরও কড়া কমিশন, ১০৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে বাংলায়

0

কলকাতা : রাত পোহালেই পঞ্চম দফার ভোট। নজিরবিহীন নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। চতুর্থ দফায় শীতলকুচির ঘটনা এখনও দগদগে ঘায়ের মত। তাই সবদিক বিবেচনা করেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়াল নির্বাচন কমিশন। মোট ১০৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও, রাজ্যে মোতায়েন থাকবে ৮৫৩ কোম্পানি বাহিনী।

শনিবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন- চিরঞ্জিত চক্রবর্তী, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, সুজিত বসু, ব্রাত্য বসু, সব্যসাচী চক্রবর্তী, অশোক ভট্টাচার্য, মদন মিত্র, তাপস রায়, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম দেব, পার্নো মিত্র, রাহুল সিনহা, অদিতি মুন্সি, শমীক ভট্টাচার্য সহ আরও বিশিষ্ট নেতৃত্বরা।

পঞ্চম দফায় ৬টি জেলার ৪৫টি আসনে নির্বাচন হবে, যার মধ্যে উত্তর ২৪ পরগণার ১৬ আসন, পূর্ব বর্ধমানের ৮ আসন, নদিয়ার ৮ আসন, উত্তরবঙ্গে কালিম্পংয়ের ১ আসন, দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়িতে সব আসনে নির্বাচন হবে।

পঞ্চম দফা নির্বাচনে বুথের সংখ্যা ১৫,৭৮৯ এবং প্রতিটি সেক্টর অফিসে একজন করে এএসআই ও ৪ জন করে কনস্টেবল থাকবেন। সেই সঙ্গে বারাসতে থাকছে ৬৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৬১ কোম্পানি ব্যারাকপুরে, ১০৭ কোম্পানি থাকছে বসিরহাটে, বিধান নগরে থাকবে ৪৬ কোম্পানি, কৃষ্ণনগরে থাকবে ১১ কোম্পানি, ১৫৫ কোম্পানি বাহিনী থাকবে পূর্ব বর্ধমানে, রানাঘাটে থাকছে ১৪০ কোম্পানি বাহিনী, শিলিগুড়িতে ৫৩ কোম্পানি থাকবে, দার্জিলিংয়ে থাকছে ৬৮ কোম্পানি, ১২২ কোম্পানি বাহিনী থাকবে জলপাইগুড়িতে, ২১ কোম্পানি থাকছে কালিম্পংয়ে।

চতুর্থ দফার হিংসা আর করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পঞ্চম দফার ভোটে প্রচার ৭২ ঘণ্টা আগেই বন্ধের নির্দেশ দিয়ছছিল নির্বাচন কমিশন। সেই দিক থেকে ধরতে গেলে মঙ্গলবারই ছিল পঞ্চম দফার ভোটের শেষ প্রচার। ইতিমধ্যেই বর্ধমানে দিলীপ ঘোষের রোড শোকে কেন্দ্র করে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। রাত ৮টা পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারির কারণে ৮টার পর কলকাতায় দুটি সভা করবেন মমতা। এদিকে আবার বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহার উপর ৪৮ ঘণ্টার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা থাকায় কিনি আর প্রচার করতে পারবেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here