৩০ কোটির করোনা কিট ও ওষুধ পুড়ে ছাই, বিধ্বংসী আগুনের শিকার বারাসাতের সরকারি স্বাস্থ্য দফতর

0

বারাসাত: এদিকে রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুনরায় ১০ দফা স্বাস্থ্যবিধি জারি করেছে রাজ্য সরকার। তারই মধ্যে বারাসাতের স্বাস্থ্য দফতরে গুদামে আগুন লাগে শুক্রবার।২৬ ঘন্টার চেস্টায় আগুন আয়ত্তে এলেও পুড়ে ছাই হয়ে যায় করোনা কিট, মাস্ক, স্যানিটাইজার সহ একাধিক রোগের টিকা। এমনকি পুড়ে যায় জীবনদায়ি ওষুধও। ফলত জেলার একাধিক হাসপাতালে ওষুধ সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকেই।

শুক্রবার রাত ১ টা নাগাদ আগুন লাগে ওই সরকারি গুদামে। প্রথমে চার ঘন্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার খবর মিললেও, পরে তা আবারও ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। প্রথমে ৬ টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়েছিল কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হতে শুরু হয়। আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে কোনওভাবেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছিল না। অবশেষে প্রায় ৬৭ জন দমকল কর্মী ও স্থানীয় মানুষদের যৌথপ্রয়াসে রবিবার ভোর রাতে পুরোপুরি আগুন নেভানো সম্ভব হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, শুক্রবার রাতে গুদাম লাগোয়া একটি ল্যাম্পপোস্ট থেকে আগুনের ফুলকি ছিটকে যায় পাশের এলটি অস্থায়ী দোকানে। সেই আগুন ছড়িয়ে যায় পাশের গুদামে। কালো ধোঁয়া দেখতে পেয়ে তৎক্ষণাৎ দমকলে খবর দেয় স্থানীয়রা।

অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনও খবর না পাওয়া গেলেও গুদামের ভিতরে থাকা চিকিৎসা সামগ্রীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। যার অনুমানিক বাজারদর কষা হচ্ছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই হাসপাতাল গুলিতে জরুরি ওষুধ সরবরাহ যাতে অব্যহত থাকে, তার জন্য রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরকে অব্যাহত করেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।

বারাসাত: এদিকে রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুনরায় ১০ দফা স্বাস্থ্যবিধি জারি করেছে রাজ্য সরকার। তারই মধ্যে বারাসাতের স্বাস্থ্য দফতরে গুদামে আগুন লাগে শুক্রবার।২৬ ঘন্টার চেস্টায় আগুন আয়ত্তে এলেও পুড়ে ছাই হয়ে যায় করোনা কিট, মাস্ক, স্যানিটাইজার সহ একাধিক রোগের টিকা। এমনকি পুড়ে যায় জীবনদায়ি ওষুধও। ফলত জেলার একাধিক হাসপাতালে ওষুধ সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকেই।

শুক্রবার রাত ১ টা নাগাদ আগুন লাগে ওই সরকারি গুদামে। প্রথমে চার ঘন্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার খবর মিললেও, পরে তা আবারও ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। প্রথমে ৬ টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়েছিল কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হতে শুরু হয়। আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে কোনওভাবেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছিল না। অবশেষে প্রায় ৬৭ জন দমকল কর্মী ও স্থানীয় মানুষদের যৌথপ্রয়াসে রবিবার ভোর রাতে পুরোপুরি আগুন নেভানো সম্ভব হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, শুক্রবার রাতে গুদাম লাগোয়া একটি ল্যাম্পপোস্ট থেকে আগুনের ফুলকি ছিটকে যায় পাশের এলটি অস্থায়ী দোকানে। সেই আগুন ছড়িয়ে যায় পাশের গুদামে। কালো ধোঁয়া দেখতে পেয়ে তৎক্ষণাৎ দমকলে খবর দেয় স্থানীয়রা।

অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনও খবর না পাওয়া গেলেও গুদামের ভিতরে থাকা চিকিৎসা সামগ্রীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। যার অনুমানিক বাজারদর কষা হচ্ছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই হাসপাতাল গুলিতে জরুরি ওষুধ সরবরাহ যাতে অব্যহত থাকে, তার জন্য রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরকে অব্যাহত করেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here