লকডাউন ফিরতেই ফিরল পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রতিকূলতা

0

নয়া দিল্লি : করোনার দ্বিতীয় দেশজুড়ে উদ্বেগের ছায়া। গত ২৪ ঘণ্টায় ফের রেকর্ড ভেঙে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়েছে ২ লক্ষ ৫৯ হাজার। রাজধানীতে নতুন করে আক্রান্ত ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষ।

বছর ঘুরলেও দাপট কমেনি করোনার। উলটে শক্তি বাড়িয়ে তা ধেয়ে আসছে। সংক্রমণ এবং মৃত্যূর হার বেড়ে গিয়েছে মারাত্মক হারে। এই অবস্থায় ফের লকডাউনের পথে হেঁটেছে দেশের একাধিক প্রশাসন। সোমবার রাত ১০টা থেকে আগামী সোমবার ভোর ৫টা অবধি লকডাউন জারি থাকবে দিল্লিতে। আর লকডাউন জারি হতেই ফের একবার প্রকাশ্যে উঠে এল পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা।

দিল্লির আনন্দবিহার বাসস্ট্যান্ডের ছবিটা বলে দিচ্ছে আরও একবার অগ্নিপরীক্ষার সামনে পড়তে চলেছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। আরও একবার তাদের হয়ে সুর চড়ালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়ার আবেদন জানালেন রাহুল। এদিন ট্যুইটারে রাহুল গান্ধি লিখেছেন, “ফের রাস্তায় পরিযায়ী শ্রমিকরা। এই অবস্থায় কেন্দ্রের কর্তব্য তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া।”

দিল্লিতে লকডাউন ঘোষণা হতেই রাস্তায় ঢল নামে মানুষের। সকলেরই হাতে এবং কাঁধে ব্যাগ। সকলেই অপেক্ষা করছেন বাস ধরার জন্য। রাত ১০টার সময়েও চোখে পড়েছে ভিড়। এই বিষয়ে গোরক্ষপুরের বাসিন্দা এক পরিযায়ী শ্রমিক বললেন, “আমাদের জণ্য এখন আর কোনও কাজ নেই। লকডাউনের সময়ে সরকার বা মালিক কেউই আমাদের জন্য কিছুই করছে না। সেই কারণে বাড়িতে ফিরে যেতে হচ্ছে। আবার লকডাউন হলে আর বাঁচতে পারব না।”

লক‌ডাউন ঘোষণার পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বার্তা দেন, “দয়া করে দিল্লি ছেড়ে কেউ যাবেন না। যেতে আসতে সময় ও টাকা নষ্ট হবে। আমি আশ্বস্ত করছি এ রাজ্যে আপনাদের কোনও সমস্যা হবে না।” যদিও এ হেন আশ্বাসবাণীর পরেও বহু মানুষই বাসে করে ঘরমুখী হতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here