মার্কিন বায়ু সেনা ঘাঁটিতে মিসাইল হামলা ইরানের

0

বাগদাদ: ইরানের কুদস বাহিনীর প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেমানির মৃত্যুর পর থেকেই আমেরিকা ও ইরানের সম্পর্কের তিক্ততা বেড়েই চলেছে। ইরানের সেনা প্রধানের মৃত্যুতে আমেরিকার উপর প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে রয়েছে ইরান। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে কোন সময় বাধতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ।

সোলেমানির মৃত্যুর বদলা নিতে এবার ইরান মার্কিন বায়ু সেনা ঘাঁটির উপর চালালো মিসাইল হামলা। বুধবার ভোরে ইরাকে দুটি মার্কিন সেনাঘাঁটিতে এক ডজন ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে ইরান। সেখানকার ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ডস কর্পস এই ঘটনার কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন যে কুদস বাহিনীর সেনাপ্রধানের মৃত্যুর বদলা নিতেই মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে এই হামলা চালিয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমের কাছে হামলার ঘটনার কথা স্বীকার করে আমেরিকাকে সতর্ক করেছেন। মঙ্গলবার রাত দেড়টা নাগাদ ইরাকের দুটি মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান, এমনটাই জানানো হয়েছে মার্কিন সেনার তরফ থেকে।
কাসেম সোলেমানির মৃত্যু নিয়ে দুই দেশই একে অপরকে হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছে ক্রমাগত। ইরানের এই মিসাইল হামলার কথা স্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস।তবে হামলাতে কোনও কারও মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘অল ইজ ওয়েল’ বলেই জানিয়েছেন ট্রাম্প। হামলার পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানকে জানিয়েছেন বিশ্বের সর্বাধিক উন্নত এবং শক্তিশালী সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে আমেরিকার হাতে সেটা যেন তারা কোনও ভাবে ভুলে না যায়। প্রাণহানি হলে বা কিছু ধ্বংস হলে পাল্টা জবার দিতে প্রস্তুত আমেরিকা বলে সাফ জানানো হয়েছে হোয়াইট হাউজ থেকে।

যদিও ইরান ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়। আমেরিকার বিরুদ্ধে আদা জল খেয়ে মাঠে নেমেছে ইরান। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে ভয় পায় না সেই কথা তারা মিসাইল হামলা দিয়ে বুঝিয়ে দিল। বর্তমানে দুই শক্তিধর দেশের মধ্যে ছায়া যুদ্ধ চলছেই। রোহানিয়া জানিয়েছেন যে জেনারেল কাসেম সোলেমানির ফেলে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজ তারাই সম্পূর্ণ করবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অপরদিকে আমেরিকা পাঁচ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে ইরাকে।