বড় খবর: করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিম

0

নয়াদিল্লি/ইসলামাবাদ : ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড ও আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের মৃত্যুর বিষয়ে জল্পনা চলছে। প্রকৃতপক্ষে, শুক্রবার কয়েকটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে যে দাউদ এবং তার স্ত্রী করোনা সংক্রামিত এবং করাচির আর্মি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। উভয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এর পরে শনিবার থেকে তাঁর মৃত্যুর খবর আসতে থাকে। যদিও এখনও এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শুক্রবারই দাউদের ছোট ভাই আনিস দাউদের আক্রান্ত হওয়ার খবর অস্বীকার করেছেন। আনিস বলেছিলেন যে ডি-সংস্থা (দাউদের নেটওয়ার্ক এই নামে পরিচিত) দুবাই ও পাকিস্তানে ব্যবসা করছে।

শুক্রবার রাতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি মারফত পাওয়া খবরে বলা হয়েছে যে, করাচির ক্লিফটন এলাকায় বসবাসকারী দাউদ এবং তার স্ত্রী করোনা পজিটিভ। আরও বলা হয়েছিল যে দু’জনেই করাচির আর্মি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং দাউদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জানা গিয়েছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা ইউনিট এবং আইএসআই তার দিকে নজর রাখছে।

দাউদের সুস্থতা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার মধ্যে সংবাদ সংস্থা তার ছোট ভাই আনিসের সাথে কথা বলে। আনিস দাউদ বা তার পরিবারের কোনও সদস্যের সংক্রামিত হওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান করেছেন। আনিসের অবস্থান স্পষ্ট নয়। আনিস বলেন, “ভাই এবং শাকিল (দাউদের ডান হাত, ছোট শাকিল) ভালো আছেন। কেউ করোনা আক্রান্ত নয়। পরিবারের কেউ হাসপাতালে নেই।”

dawood imrahim

আনিস বলেন যে, ডি সংস্থা পাকিস্তান ও দুবাইয়ের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করছে। আনিসের সংযুক্ত আরব আমিরশাহের বিলাসবহুল হোটেল এবং পাকিস্তানের বড় নির্মাণ প্রকল্পের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তাহলে কি করতাম। পরিবহন ব্যবসাও চলছে।”

দাউদ ইব্রাহিম পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় করাচিতে বসবাস করতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১৯৯৩ সালের মুম্বই সিরিয়াল বোমা বিস্ফোরণ সহ তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। যদিও পাকিস্তান দেশে দাউদ এবং তার পরিবারের উপস্থিতি অস্বীকার করে আসছে।

১৯৯৪ সাল থেকে দাউদ পাকিস্তানে রয়েছেন। তার মেয়ে মাহরুখের বিয়ে হয়েছে পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক জাভেদ মিয়ানদাদের ছেলে জুনায়েদের সাথে। ডি-কোম্পানির পুনরুদ্ধার ও তোলাবাজি, সিন্ডিকেটের দায়িত্বে থাকা তীক্ষ্ণ শ্যুটার ছোট শাকিলও করাচিতে থাকেন।