“সেনা ও সরঞ্জাম ফিরিয়ে নিন”, ভারতের কাছে করুণ আর্জি চীনের

0

নয়াদিল্লি : বৃহস্পতিবার মস্কোয় ভারত ও চীনের বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে দুই দেশ পূর্ব লাদাখে সেনাবাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা নিরসনের জন্য পাঁচ দফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। চীন এই বৈঠক সম্পর্কিত একটি বিবৃতি জারি করেছে, তাতে বলা হয়েছে যে চীন এই বৈঠকে ভারতকে বলেছে যে ‘সীমান্ত পেরিয়ে আসা সেনা ও সরঞ্জাম প্রত্যাহার করা দরকার’।

প্রসঙ্গত, মস্কোতে সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশনের শীর্ষ সম্মেলনে দু’দেশের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। যেখানে সীমান্তে সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখার জন্য একটি চুক্তি হয়েছে। চীন দ্বারা জারি করা এক বিবৃতিতে এই বৈঠকে ‘সম্পূর্ণ এবং গভীরভাবে কথোপকথন’ হিসাবে বর্ণিত করা হয়েছে। তবে চীন তার অবস্থানে রয়ে গেছে।

চীনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, “ওয়াং সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে চীনের কঠোর অবস্থানের ব্যাখ্যা দেন এবং উভয় দেশের মধ্যে যে চুক্তি ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছিল তা বিপজ্জনক ও উস্কানিমূলক লঙ্ঘনকে জোর দিয়েছিল। তাত্ক্ষণিকভাবে কার্যক্রম বন্ধ করার প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্তের অভ্যন্তরে থাকা সমস্ত সৈন্য এবং সরঞ্জাম ফিরিয়ে নেওয়াও খুব জরুরি। সীমান্তে সৈন্যদের অবিলম্বে পিছু হটতে হবে, যাতে পরিস্থিতির উন্নতি হয়।”উল্লেখ্য, ভারত এই বৈঠকে পূর্ব লাদাখে চীনের কার্যক্রম নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং বলেছে যে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য সীমান্তে শান্তি প্রয়োজন। শুক্রবার সরকারী সূত্র জানিয়েছে যে, এই বৈঠকে ভারত পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (LAC) পাশে চীন দ্বারা বিপুল সংখ্যক সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম স্থাপনের বিষয়ে চীনের প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ওয়াং ইয়িকে বলেন যে, লাদাখের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলেছে এবং ভারত ও চীনের স্বার্থের জন্য তাত্ক্ষণিক সমাধান জরুরি। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন যে, এই সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা দরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here