ফের কূটনীতির ছক: প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি সহ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উপর নজর রাখছে চীন

0

নয়াদিল্লি: লাদাখ সীমান্তে ভারত-চীন দ্বন্দ্ব অব্যাহত। বিভিন্ন দফা আলোচনা করেও মেলেনি কোনোও সমাধান। চীন উস্কানি দিয়েই চলেছে, ভারতীয় সেনাও ছেড়ে কথা বলার পাত্র নয়। এরই মধ্যে আবার নয়া উৎপাত সামনে এসেছে। চীন নাকি প্রতিনিয়ত নজর রাখছে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের উপর। সেই গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা মানুষদের মধ্যে রয়েছেন স্ব্যং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিরোধী দলনেত্রী সনিয়া গান্ধী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও।

রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, নির্মলা সীতারমণ, স্মৃতি ইরানি, প্রতিরক্ষা প্রধান বিপিন রাওয়াত, রাজনাথ সিং, বায়ুসেনা ও নৌসেন প্রধান, ভারতের প্রধান বিচারপতি এস বোবদে এমনকি রয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তালিকায় রয়েছেন একাধিক ধনী ব্যক্তি শিল্পপতি রতন টাটা ও গৌতম আদানির মতো ব্যক্তিরা। জানা গিয়েছে, চিনা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে এই কাজ করছে শেনজেনের একটি প্রযুক্তি কোম্পানি। আর এই তালিকা নিশ্চিত করেছেন ঝেনহুয়া ডেটা ইনফরমেশন টেকনোলজি কোম্পানি। তবে কেবল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিল্পপতিরাই নন তালিকায় রয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, অভিনেতা ক্রীড়াব্যক্তিত্ব সহ আমলারাও।

পুরো বিশ্বের কাছে খবর রয়েছে যে জিনপিংয়ের সেনাবাহিনী ভারতীয় জওয়ানদের উস্কে দেওয়ার জন্য কাজ করছে, তবে চীনই ‘বেইমানি’ করছে। অন্যদিকে ইউনাইটেড ফ্রন্ট কনস্ট্রাকশন ডিপার্টমেন্টের (UFWD) ঘনিষ্ঠ এক চীনা রাজনীতিবিদ নং রংকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত হিসাবে প্রেরণ করে বেজিং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) সমর্থনে দক্ষিণ এশিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। রাষ্ট্রদূত নং চলতি সপ্তাহে ইসলামাবাদে কেরিয়ারের কূটনীতিক ইয়াও জিংকে প্রতিস্থাপন করেছেন। এই রকম পরিস্থিতিতে এই তথ্য জানার পর ভারতের পক্ষ থেকে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয় এখন সেটাই দেখার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here